
এডভোকেট বেলায়েত বেলাল,কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি),
সাধারণ সম্পাদক, সামাজিক মঞ্চ।
বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতির অঙ্গনে এক অনন্য নাম—বেগম তানিয়া রব। দল, সংগঠন এবং রাজপথ—সব জায়গাতেই তাঁর উপস্থিতি এক আলোকবর্তিকার মতো। কর্মীদের সাহস যোগানো, রাজনৈতিক আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং সর্বোপরি মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করা—সবকিছু মিলিয়েই তিনি আজ একজন “তারকা রাজনীতিক” হিসেবে জনগণের কাছে পরিচিত।
৫ই আগস্টের অবিস্মরণীয় আন্দোলন-সংগ্রামে তানিয়া রবের ভূমিকা অনন্য। জীবন-মৃত্যুর ঝুঁকি অতিক্রম করে রাজপথে অবস্থান নেওয়া, নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়া—এসবই তাঁকে বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
তিনি দলকে সুসংগঠিত করতে যেমন অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তেমনি জাতীয় রাজনীতিতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সামনের সারির সাহসী মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
রাজনীতি, সংগঠন, মাঠের কাজ—সবকিছুর মাঝেও তিনি একজন দায়িত্বশীল, যত্নশীল জীবনসঙ্গী। অসুস্থ স্বামী আ স ম রবের চিকিৎসা, সেবা ও খোঁজখবর নেওয়াকে তিনি নিজের প্রথম দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করেন।
তিনি ঘরে না থাকলেও প্রতি ক্ষণে ফোনে খবর নেন—খাবার খাওয়া হয়েছে কি না, ওষুধ ঠিকমতো নেওয়া হয়েছে কি না, বিশ্রাম ঠিকমতো হলো কি না। এই নিবেদিত মানসিকতা তাঁকে একজন প্রকৃত বাংলা নারীর আদর্শ রূপে অনন্য করে তুলেছে।
রব ভাইয়ের প্রিয় জন্মভূমি রামগতি–কমলনগরের উন্নয়নেও বেগম তানিয়া রব প্রতিনিয়ত সক্রিয়। দারিদ্র্যপীড়িত উপকূলীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তিনি ইতোমধ্যে একাধিক উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন, কিছু প্রকল্পে বরাদ্দও প্রদান করেছেন।
কৃষক, শ্রমিক, নদীভাঙনকবলিত মানুষ—সবাইকে কেন্দ্র করেই তিনি ভবিষ্যতের উন্নয়ন রূপরেখা তৈরি করছেন। এটি শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়; এটি এক বাস্তবায়িত কর্মপরিকল্পনা।
বক্তৃতা নয়, কাজের মাধ্যমেই তিনি প্রমাণ করেছেন তাঁর পথচলা। এজন্যই লক্ষ্মীপুর জেলা আজ তাকে তাদের গর্ব, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে দেখছে। মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকা, সংগঠনকে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নেওয়া এবং মানবিকতার মূল্যবোধে অটল থাকার কারণেই তিনি আজ প্রাণের নেত্রী, প্রিয় ভাবী—এই সম্মান অর্জন করেছেন।
লক্ষ্মীপুরবাসীর পক্ষ থেকে প্রিয় নেত্রী তানিয়া রবকে অভিনন্দন ও অভিবাদন।
আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং ভবিষ্যতের সফল রাজনৈতিক যাত্রা কামনা করি।